কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ এ ১২:৩৫ PM

কুমিল্লা সেনানিবাসের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ

কন্টেন্ট: পাতা

☼ ২১/১২/১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার গেজেট নোটিফিকেশন নং-১০০০/৫১ মূলে কুমিল্লা জেলাধীন কোতয়ালী থানার অন্তর্গত ময়নামতি পাহাড়ি এলাকায় ১৮৫৪.৯৩ একর ভূমি হুকুম দখলের মাধ্যমে কুমিল্লা সেনানিবাস ঘোষিত হয়। কুমিল্লা শহরের ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে কুমিল্লা সেনানিবাস অবস্থিত।

☼ সেনানিবাস স্থাপনের ইতিহাসের গোড়ায় দেখা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধচলাকালীন ব্রিটিশরা অত্র সেনানিবাস এলাকায় ঘাঁটি স্থাপন করে যুদ্ধ পরিচালনার মাধ্যমে প্রথম সেনানিবাসের গোড়া পত্তন করেন।

☼ ১৪তম পাঞ্জাব রেজিমেন্ট ময়নামতিতে তাদের ঘাঁটি স্থাপন করেন এবং তাঁদের তাবু বর্তমান সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল এলাকায় স্থাপিত হয়েছিল। ময়নামতি রাণী কুটিরে তাদের অফিসার্স মেস স্থাপন করেছিল।

☼ পরবর্তীতে ব্রিগেডিয়ার রাও ওমরাও খানের নেতৃত্বে এখানে একটি ব্রিগেড স্থাপিত হয়।
☼ জনাব আবদুল জলিল খান ক্যান্টনমেন্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে প্রথম দায়িত্ব পালন করেন।

২। ক্যান্টনমেন্টের সংজ্ঞাঃ


ক্যান্টনমেন্ট আইন ২০১৮ এর ৩(১) ধারা অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী সমূহের ব্যবাহারের জন্য বাংলাদেশের যে কোনো স্থানে ক্যান্টনমেন্ট প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে।

উক্ত আইনের ২২ ধারা মোতাবেক সেনানিবাসকে ০৩ (তিন) শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে-

(ক) ১ম শ্রেণির ক্যান্টনমেন্ট
(খ) ২য় শ্রেণির ক্যান্টনমেন্ট
(গ) ৩য় শ্রেণির ক্যান্টনমেন্ট

৩। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডঃ
ক্যান্টনমেন্ট আইন ২০১৮ এর ১৭ ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক সেনানিবাসে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড গঠন করা হয়। ক্যান্টনমেন্টের নাম অনুসারে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নামকরণ করা হয়। উক্ত আইনের ২০(১) ধারা অনুযায়ী সরকার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডে ক্যান্টনমেন্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার নিয়োগ প্রদান করেন। আইনের ১৭(২) ধারা অনুযায়ী ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডসমূহে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট স্টেশন কমান্ডার বোর্ডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

৪। সেনানিবাসের জমির শ্রেণি বিভাগঃ

ক্যান্টনমেন্ট আইন ২০১৮ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী সামরিক ভূমি ০৩(তিন) শ্রেণিতে বিভক্ত হইবে।


১। ‌‘ক’ শ্রেণি- শুধুমাত্র সামরিক কাজে বর্তমানে ব্যবহৃত ও ভবিষ্যতে এ কাজে ব্যবহারযোগ্য জমি।
২। ‘খ’ শ্রেণি- সরাসরি সামরিক কাজে ব্যবহৃত নয় কিন্তু সামরিক প্রশাসন সম্পর্কিত কার্যাদি সম্পাদনের নিমিত্ত সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে সংরক্ষিত জমি।
৩। ‘গ’ শ্রেণি- ক্যান্টনমেন্ট আইন ২০১৮ এর ৯৩ ধারা অনুযায়ী ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নিকট ন্যস্তকৃত জমি।

৫। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড গঠনঃ

ক্যান্টনমেন্ট আইন ২০১৮ এর ২৩(১) ধারামতে ১ম শ্রেণীর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড নিম্নলিখিতভাবে গঠিতঃ-

(ক) সভাপতিঃ স্টেশন কমান্ডার পদাধিকার বলে
(খ) সদস্যঃ ০১ × নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মনোনীত
(গ) সদস্যঃ ০১ × স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সভাপতি কর্তৃক মনোনীত
(ঘ) সদস্যঃ ০১ × নির্বাহী প্রকৌশলী সভাপতি কর্তৃক মনোনীত
(ঙ) সামরিক/বেসামকরিক সদস্যঃ ০৫ ×এরিয়া কমান্ডার কর্তৃক লিখিত আদেশ দ্বারা মনোনীত ০৩(তিন) জন সামরিক অফিসার ও ০২(দুই) জন অসামরিক বাসিন্দা
(চ) সচিবঃ ০১ × ক্যান্টনমেন্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার উক্ত আইনের ২০(৩) ধারা অনুযায়ী পদাধিকার বলে

ক্যান্টনমেন্ট আইন ২০১৮ এর ২৩(২) ধারামতে ২য় শ্রেণীর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড নিম্নলিখিতভাবে গঠিতঃ-

(ক) সভাপতিঃ স্টেশন কমান্ডার পদাধিকার বলে
(খ) সদস্যঃ ০১ × নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মনোনীত
(গ) সদস্যঃ ০১ × স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সভাপতি কর্তৃক মনোনীত
(ঘ) সদস্যঃ ০১ × নির্বাহী প্রকৌশলী সভাপতি কর্তৃক মনোনীত
(ঙ) সামরিক/বেসামকরিক সদস্যঃ ০৩ ×এরিয়া কমান্ডার কর্তৃক লিখিত আদেশ দ্বারা মনোনীত ০২(দুই) জন সামরিক অফিসার ও ০১(এক) জন অসামরিক বাসিন্দা
(চ) সচিবঃ ০১ × ক্যান্টনমেন্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার উক্ত আইনের ২০(৩) ধারা অনুযায়ী পদাধিকার বলে

ক্যান্টনমেন্ট আইন ২০১৮ এর ২৩(৩) ধারামতে ৩য় শ্রেণীর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড নিম্নলিখিতভাবে গঠিতঃ-

(ক) সভাপতিঃ স্টেশন কমান্ডার পদাধিকার বলে
(খ) সামরিক/বেসামকরিক সদস্যঃ ০৩ ×এরিয়া কমান্ডার কর্তৃক লিখিত আদেশ দ্বারা মনোনীত ০২(দুই) জন সামরিক অফিসার ও ০১(এক) জন অসামরিক বাসিন্দা
(গ) সচিবঃ ০১ × ক্যান্টনমেন্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার উক্ত আইনের ২০(৩) ধারা অনুযায়ী পদাধিকার বলে

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন